ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ঘরের পাশে রাখা বালুভর্তি একটি বস্তায় হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ তিনজন দগ্ধ হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলো ওই বাড়ির মালিক শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি আক্তার (১৮) ও নাতি ফাহিম (১৫)।
বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার এ জেড এম মুস্তাফিজুর রহমান জানান,এটি কোন ধরনের বিস্ফোরক, আমরা জানি না। আরও বিস্ফোরক আছে কিনা তাও বলতে পারছি না। তবে ঢাকায় বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছ। বিকেলের মধ্যে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে বলে আশা করছি। পুলিশ সামগ্রিক বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
শাহ আলমের ছেলে জামাল হোসেন বলেন, সোমবার সকাল সাতটার দিকে তাদের বাড়ির পাশে রাখা বালুভর্তি একটি বস্তায় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে তাঁর মা, বোন ও ভাগনের শরীরে আগুন ধরে যায়। তাঁরা পাশের তুলাতলা নদীতে ঝাঁপ দেন। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন। পরে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়
প্রতিবেশী এনাযেত হোসেন জানান,সকালে হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভাঙে। পরে বাইরে এসে জানতে পারেন, পাশের বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।তবে কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা কেউ বলতে পারছেন না।
ঘটনার পর র্যাব, পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্য ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা বিস্ফোরণের জায়গাটি ঘিরে রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা স্থানীয়দের কথা বলছেন। বিস্ফোরকটি বোমা ছিল কি না, সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাকেগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পঞ্চম তলার পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের নার্স লিংকন দত্ত বলেন, প্রথমে তিনজন এই ওয়ার্ডে আসার পর নারী দুজনকে চারতলায় মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে।